কিডনিকে সুস্থ রাখতে মেনে চলুন এসব নিয়ম

Jul 31, 2019 06:37 pm
কিডনিকে সুস্থ রাখতে মেনে চলুন এসব নিয়ম

 

কথায় আছে ‘‌শরীরের নাম মহাশয়, যেমন সয়াবে , তেমন সয়’‌। কথাটা একদম ঠিক। শরীরকে যেভাবে রাখবেন, তার ওপরই নির্ভর করছে আপনার সুস্থতা। শরীরের প্রত্যেকটি অঙ্গ–প্রত্যঙ্গকেই তাই সঠিক সময়ে সঠিকভাবে পরিচর্যা করা উচিত। সম্প্রতি ক্যান্সারের পাশাপাশি কিডনির রোগেও অনেকে আক্রান্ত হচ্ছেন। এমনকি এই রোগ প্রাণও কেড়ে নিচ্ছে অনেকের।

ক্রনিক কিডনির রোগকে দূরে সরিয়ে রাখতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হল শরীরে রক্তচাপ ও সুগারের স্তর যেন স্বাভাবিক থাকে। নির্দিষ্ট একটি বয়সের পর অবশ্যই নিয়মিত রক্তচাপ–সুগার পরীক্ষা করানো উচিত।
গরমের সময় মানুষের শরীরে পানির পরিমাণ কমে যায়। তাই গরমে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে যাতে শরীরে পানির অভাব না থাকে। কারণ পানির অভাবের জন্য অনেকসময় কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পান পান করলে কিডনিতে পাথরও জমে না। শুধু তাই নয়, যঠিক পরিমাণে পানি পান করলে পলিসিস্টিক কিডনির রোগ এবং মূত্রনালীর সংক্রমণ থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।
কিডনিকে সুস্থ রাখতে মেনে চলুন এসব নিয়ম

১)‌ পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা। শরীরে যাতে পানির অভাব না থাকে।
২)‌ প্রত্যেকের শরীরের নিয়ম আলাদা আলাদা থাকে। তবে নিজের তৃষ্ণা মেটানোর জন্য যতটা দরকার ততটাই পানি পান করুন প্রতিদিন।
৩)‌ তবে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি পানি খেলে শরীরে সোডিয়াম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা ক্ষতিকর হতে পারে।

৪)‌ ব্যথার ওষুধ খাওয়ার সময় বেশি করে পানি পান করা উচিত।
৫)‌ কিডনি বিকল হওয়া শুরু করলে পানি খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিতে হবে।

উচ্চ রক্তচাপ এবং উচ্চ সুগারের লেভেল শরীরে বেড়ে যাওয়ার ফলে ক্রনিক কিডনি রোগ হয়। তাই সময় থাকতে রক্তচাপ–সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে রাখা দরকার। নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া জরুরি।
এছাড়া
১)‌ ব্যথা জাতীয় ওষুধ বা মাদকাদ্রব্য থেকে দূরে থাকা ভালো।
২) ভুলভাল ওষুধের থেকে শরীরকে দূরে রাখা।
৩)‌ গরমের সময় যেন শরীরে পানির অভাব না থাকে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খাওয়া।
৪)‌ ৪০ বছরের পর নিয়মিত কিডনি পরীক্ষা করানো উচিত। কারণ এই সময়েই শরীরে উচ্চ রক্তচাপ ও সুগারের লেভেল বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
৫)‌ বেশ কিছু মহিলা গর্ভবতী হওয়ার সময় এসএলই ধরা পড়ে, যা পরে গিয়ে ক্রনিক কিডনি রোগে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই আগে থাকতেই নেফ্রোলজিস্টকে দেখিয়ে রাখা দরকার। যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে। ‌