Installateur Notdienst Wien roblox oynabodrum villa kiralama
homekoworld
knight online pvp
ko cuce

মুচকি হাসিতে ত্বক হয় লাবণ্যময় ও কমনীয়

Mar 03, 2020 02:19 pm
মুচকি হাসিতে ত্বক হয় লাবণ্যময় ও কমনীয়

 

‘রামগড়ুরের ছানা হাসতে তাদের মানা...।’ সত্যিই কি হাসতে মানা? কে বলেছে হাসতে মানা? আসলে বিজ্ঞান মানুষকে দিয়েছে বেগ আর কেড়ে নিয়েছে আবেগ হাসি। অফিসে কাজ, সংসারে ঝামেলা-দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ ইত্যাদি। তাই সময় কোথায় বিশ্রাম, আড্ডা, খোশগল্প কিংবা আলাপচারিতার! এমনকি এতটুকু সময় নেই সামান্য একটু হাসার। আবার যদি কারো পদবি হয় অফিসের ‘বড় কর্তা কিংবা ‘বিগবস’ তা হলে তো হাসি একদম নিষেধ। কারণ এতে নাকি ব্যক্তিত্ব নষ্ট হয়। ছোট কর্তার হাসি নিষেধ কারণ বড় কর্তা হয়তো হবেন রুষ্ট! মহাঝামেলা। কিন্তু সামান্য একটু হাসি আপনার সুস্থতাকে কতখানি প্রভাবিত করতে পারে, তা যদি একটু খতিয়ে দেখতেন তবে হয়তো সব ভুলে আপনিও একটুখানি হাসতেন। কেবল উত্তেজনা, উৎকণ্ঠা কমায় না, দেহ-মনের অনেক বোঝাও দূর করে দেয় সামান্য একটু হাসি। অনেক সমস্যা নিমিষেই সমাধান করা যায় একটু মুচকি হাসি দিয়ে।

লোমা লিন্ডা ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের ক্লিনিক্যাল ইমিউনোলজি বিভাগের ডা: লোরেন্স বার্ক হাসি নিয়ে বিস্তর গবেষণা এবং কাজ করে অনেক মজার এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছেন। তার মতে, হাসি মানুষের উদ্বেগ বৃদ্ধিকারী হরমোন ‘করটিগোল’ নিঃসরণ কমায়; যা আপনাকে করবে নিরুদ্বেগ। নির্মল হাসি রক্তে শরীরের রোগ-প্রতিরোধকারী ‘লিম্ফোসাইটের প্রবাহ বৃদ্ধি করে। হালকা হাসি হৃদযন্ত্রের গতি হ্রাস করে এবং সাথে সাথে উচ্চ রক্তচাপকেও কমায়। আপনি যদি প্রতিদিন ঘণ্টায় ৩০ সেকেন্ড হাসতে পারেন, তাহলে আপনার বুক ও কাঁধের মাংসপেশি সঙ্কুচিত ও প্রসারিত হয়ে আপনাকে করবে সতেজ এবং নিরদ্বেগ।

আপনার আক্রমণাত্মক একগুয়ে চরিত্রকে আমূল বদলে দিবে হাসি এবং সেই সাথে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাবে। মানুষ কখনোই একই সাথে হাসি এবং রাগ প্রকাশ করতে পারে না। তাই হাসি আপনার রাগকেও নিয়ন্ত্রণ করবে।

মুচকি হাসি আপনার ত্বককে করবে লাবণ্যময় এবং কমনীয়। কমেডি অর্থাৎ হাসির ছায়াছবি মানুষের মুখের লালার সাথে ইমিউনোগ্লোবিউলিন নিঃসৃত করে, যা এক ধরনের ঠাণ্ডা ও কাশি প্রতিরোধে কার্যকর। তাই প্রতিদিন অন্তত একবার হলেও মনে মনে কিংবা মুচকি হাসুন আর যদি হন সাহসী তবে শব্দ করে অট্টহাসি হাসুন এবং সুস্থ থাকুন।

লেখক : মেডিক্যাল অফিসার, সিআরপি, সাভার, ঢাকা।

আপনার হাসি আসল না নকল?
নয়া দিগন্ত অনলাইন

হাসি। মুখের এই একটা অভিব্যক্তি ঢেকে দিতে পারে অনেক কিছু। গোপন ব্যথা, রাগ, দুঃখ, অভিমান- হাসির অভিব্যক্তির কাছে সবাই হার মানে। কিন্তু প্রাণ খোলা হাসির সঙ্গে তো জোর করে হাসার পার্থক্য রয়েছে। আপাত দৃষ্টি যে তফাত অনেক সময়ই বোঝা সম্ভব নয়। কোনো ব্যক্তির মনের ভিতরের খবর চাপা পড়ে যায় ঠোঁটের কোণের হাসির রেখায়। কিন্তু কোন হাসি কৃত্রিম? কোনটাই বা মনের সত্যিকারের অভিব্যক্তি? কীভাবে বুঝবেন? আপাত দৃষ্টিতে যা ধরা পড়ে না, এবার তা বোঝা যাবে প্রযুক্তির মাধ্যমে। হ্যাঁ, বিজ্ঞানের আশীর্বাদে এবার ভেদ হবে আসল আর নকল হাসির রহস্য।

ব্রিটেনের ব্র্যাডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার তৈরি করেছেন যা হাজার কৃত্রিম হাসির মধ্যে থেকে বেছে নিতে পারে সত্যিকারের হাসিকে। গবেষকদের মতে, কোনও মানুষের আসল হাসি লুকিয়ে থাকে তার চোখে। আর এই বিষয়টিকেই কাজে লাগিয়েছেন তারা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর মাধ্যমে মানসিক রোগীদের চিকিৎসা আরো সহজ হবে। ভবিষ্যতে বায়োমেট্রিক আইডেন্টিফিকেশনের ক্ষেত্রে মেশিন ও মানুষের মধ্যেও সুসম্পর্ক গড়ে উঠবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাসান বলছেন, “মুখের অভিব্যক্তিগুলোর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাসি। এই হাসিই ইতিবাচক অভিব্যক্তি। তবে এতদিন আসল ও কৃত্রিম হাসির পার্থক্য করা ছিল একটা চ্যালেঞ্জ। এবার প্রযুক্তির হাত ধরে সেই তফাত বোঝা সম্ভব।” কিন্তু কীভাবে কাজ করে এই সফটওয়্যার?

এই সফটওয়্যারটি প্রথমে একটি মানুষের মুখের ভিডিও দেখে। যেখানে তার ঠোঁট, গাল ও চোখের বৈচিত্রগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য করা হয়। তারপর দেখা হয়, হাসির সময় এই অংশগুলো কীভাবে সহযোগিতা করছে। এরপর ভিডিওর প্রতিটি ক্লিপে ব্যক্তির অভিব্যক্তি হিসেব করে দেখিয়ে দেয়া হয় তার হাসি আসল নাকি কৃত্রিম। এই প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে চোখ।

গবেষকরা জানাচ্ছে, ভিডিওর প্রতিটি ক্লিপ ভালোভাবে লক্ষ্য করলেই পার্থক্যটা ধরা পড়ে। কেউ মন থেকে হাসলে তার পেশি অন্তত ১০ গুণ বেশি সচল হয়। নকল হাসির ক্ষেত্রে অনেক সময় কেবলমাত্র ঠোঁটের আশপাশের পেশি বেশি সচল থাকে। চোখের ভূমিকা সেখানে কম হয়। যদিও সফটওয়্যারটি সাধারণ মানুষ কবে থেকে ব্যবহার করতে পারবেন, তা এখনো স্পষ্ট করে জানানো হয়নি।

 


 

ko cuce /div>

দৈনিক নয়াদিগন্তের মাসিক প্রকাশনা

সম্পাদক: আলমগীর মহিউদ্দিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: সালাহউদ্দিন বাবর
বার্তা সম্পাদক: মাসুমুর রহমান খলিলী


Email: [email protected]

যোগাযোগ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।  ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Follow Us