গ্রীষ্মের তাপে হার্ট অ্যাটাক : কোন কোন লক্ষণে বুঝবেন

অন্য এক দিগন্ত | Apr 20, 2022 03:18 pm
গ্রীষ্মের তাপে হার্ট অ্যাটাক : কোন কোন লক্ষণে বুঝবেন

গ্রীষ্মের তাপে হার্ট অ্যাটাক : কোন কোন লক্ষণে বুঝবেন - প্রতীকী ছবি

 

বেরোনা বা অফিসের দৌড়ের মধ্যে রোদের তাপে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। গ্রীষ্মের প্রবল দাবদাহে অনেকেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে যান। ফরিদাবাদের কিউআরজি সুপারস্পেশ্যালিটি হাসপাতালের কার্ডিওলজিস্ট গজিন্দর কুমার বলছেন, গরমের তাপ থেকে বাঁচতে মানুষকে আরো বেশি সতর্ক হতে হবে।

ইউরোপিয়ান হার্ট জার্নাল বলছে, ১৯৮৭ সাল থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, শুধুমাত্র গরম থেকেই হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়েছেন ২৭ হাজার মানুষ। বলা হচ্ছে,গরমে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

গরমে হৃদয় ভালো রাখার উপায়

- পানি বেশি করে পান করতে হবে। প্রতিবার প্রস্রাব করার আগে পরে পানি পান করা বাঞ্ছনীয়। মদ ও ক্যাফিন থেকে দূরে থাকুন।

-দুপুর ৩টার সময় নাগাদ ঘরে থাকুন, ততখের ঠাঁঠাপোড়া রোদের তেজ অসুস্থ করতে পারে যেকোনো সুস্থ মানুষকে।

-হালকা জামাকাপড় পড়ুন। যে পোশাকে শ্বাস প্রশ্বাস নিতে পারবেন, তা পরে রোদের মধ্যে বের হন।

-হৃদরোগের সমস্যায় ইতিমধ্যেই যারা জড়িত, তারা গরমেও ওষুধ খেতে ভুলবেন না, অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে তা খেতে হবে।

কোন লক্ষণ দেখলে বুঝবেন এক্ষুণি চিকিৎসার প্রয়োজন?

- ঘাম হওয়া ছাড়াই যদি ত্বক শুকিয়ে যায়, বা ত্বক গরম হতে থাকে, তাহলে বুঝবেন আপনার চিকিৎসকের প্রয়োজন রয়েছে।

- মাঝে মাঝেই কি মাথায় সবকিছু গুলিয়ে যাচ্ছে? বা কখনও মাথা ঘুরে অচৈতন্য হয়ে যাচ্ছেন? তাহলে ঝুঁকি না নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

- গ্রীষ্মকালে যদি খুবই গা গরম হয়ে জ্বর আসে, তাহলে সতর্ক হতে হবে।

- মাঝে মাঝেই মাথায় প্রবল যন্ত্রণা হওয়া।

গরমজনিত ক্লান্তির চিহ্ন

- মাথার যন্ত্রণা।

- ত্বকে ভিজে ভাব, শীত করা।

- খুব বেশি ঘাম।

- মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়া। অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।

- পেশীতে ব্যথা।

-নিঃশ্বাস বেশি হওয়া।

-বমিবমি ভাব।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

যে ৫ খাবারে ডেকে আনতে পারে পুরুষদের বন্ধ্যত্ব
পরিসংখ্যান বলছে, বিগত চল্লিশ বছরে বিশ্বে পুরুষদের শুক্রাণুর পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে গড়ে ৫৯ শতাংশ।
পৃথিবীতে বহু মানুষ চাইলেও সন্তানধারণ করতে পারেন না। এর একটি অন্যতম প্রধান কারণ পুরুষদের শুক্রাণুর সমস্যা। পরিসংখ্যান বলছে, বিগত ৪০ বছরে বিশ্বে পুরুষদের শুক্রাণুর পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে গড়ে ৫৯ শতাংশ। ঠিক কী কারণে এমনটা ঘটছে, তা নিয়ে নিশ্চিত নন বিজ্ঞানীরা। তবে সাম্প্রতিক কিছু গবেষণা বলছে, দৈনন্দিন জীবনচর্চা ও খাদ্যাভ্যাস অনেকটাই বাড়িয়ে দিতে পারে বন্ধ্যত্বর আশঙ্কা। দেখে নিন, কী কী খাবার খেলে বেড়ে যেতে পারে এই আশঙ্কা—

১। সম্পৃক্ত ফ্যাটিঅ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার : ট্রান্স ফ্যাট ও আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার শুক্রাণু উৎপাদনের প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে পারে। পলি-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটিঅ্যাসিড অন্ডকোষে জমা হতে পারে। বীর্যে এই ধরনের স্নেহ পদার্থের উপস্থিতি শুক্রাণুর স্বাস্থ্যহানি ঘটাতে পারে। কমাতে পারে শুক্রাণুর ঘনত্বও।

২। প্রক্রিয়াজাত গোশত : বিশেষজ্ঞদের মতে প্রক্রিয়াজাত গোশত শুক্রাণুর পরিমাণ হ্রাসের অন্যতম প্রধান কারণ। প্রক্রিয়াজাত গোশতেও প্রচুর পরিমাণে ট্রান্স ফ্যাট ও আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটিঅ্যাসিড থাকে। পাশাপাশি, এই ধরনের গোশতে কৃত্রিম সংরক্ষক ও উৎসেচকের অবশিষ্টাংশ থাকে। তা শুক্রাণু উৎপাদনে সমস্যা তৈরি করতে পারে।

৩। ধূমপান ও মদ্যপান : একাধিক গবেষণা বলছে, গাঁজা ও সিগারেট শুক্রাণুর সমস্যা ডেকে আনতে পারে। মদ্যপাও শুক্রানুর গঠনগত বিকৃতি ঘটাতে পারে।

৪। অতিরিক্ত স্নেহজাতীয় পদার্থযুক্ত দুগ্ধজাত পদার্থ : বর্তমানে উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য গবাদি পশুকে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ দেয়া হয়ে থাকে। এর প্রভাব পরে দুধেও। এই ধরনের গবাদি পশুর দুধে স্নেহজাতীয় পদার্থ থাকে অনেক বেশি। সম্প্রতি ১৮ থেকে ২২ বছর বয়সী যুবকদের উপর করা একটি সমীক্ষা বলছে, এ ধরনের দুধ ও দুগ্ধজাত খাদ্য খেলে শুক্রাণুর চলাচল, গতি ও আকৃতিতে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে।

৫। অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ : উৎপাদন বৃদ্ধি ও সংরক্ষণের জন্য ফসলে যে সার ও কীটনাশক ব্যবহার করা হয়, সে রাসায়নিক পদার্থগুলোও শুক্রাণুর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার, অধিকাংশ খাদ্যেই এ ধরনের রাসায়নিক মিশে থাকে, যা এড়িয়ে যাওয়া কঠিন। সব্জি রান্নার আগে ভালো করে ধুয়ে নেয়া ছাড়া এ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ দূর করার কোনো অন্য উপায় নেই। তবুও শাক-সব্জি সম্পূর্ণ রাসায়নিক মুক্ত করা অত্যন্ত কঠিন।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা


 

ko cuce /div>

দৈনিক নয়াদিগন্তের মাসিক প্রকাশনা

সম্পাদক: আলমগীর মহিউদ্দিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: সালাহউদ্দিন বাবর
বার্তা সম্পাদক: মাসুমুর রহমান খলিলী


Email: online@dailynayadiganta.com

যোগাযোগ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।  ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Follow Us