Installateur Notdienst Wien roblox oynabodrum villa kiralama
homekoworld
knight online pvp
ko cuce

৩ ধরনের নামাজ কবুল হয় না

Mar 12, 2020 02:48 pm
৩ ধরনের নামাজ কবুল হয় না

 

ইসলামের পাঁচ স্তম্ভ হলো- কালিমা, নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাত। এ পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে নামাজ হলো অন্যতম। আমরা জানি, নামাজ বেহেশতের চাবি। প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের জন্য অত্যাবশ্যকীয় ফরজ কাজ। তবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজই হতে হবে সহি ও শুদ্ধ। নামাজ পড়তে হবে পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর নির্দেশিত পন্থায়। কেউ যদি মনগড়াভাবে নামাজ আদায় করেন, সেই নামাজ কোনোভাবেই আদায় হবে না। নামাজ যেমন বেহেশতের চাবি, অর্থাৎ নামাজ ছাড়া বেহেশতে যাওয়া যাবে না, তেমনি নামাজই কোনো কোনো ব্যক্তিকে জাহান্নামের দিকে ধাবিত করতে পারে। কোন কোন ব্যক্তি কি কারণে নিয়মিত নামাজ আদায় করার পরও জান্নাতে যেতে পারবেন না তা নিচে উপস্থাপন করা হলো-

১. কখনো কখনো দেখা যায়, নামাজের ওয়াক্ত হয়ে গেলেও কেউ কেউ অলসতা করে সময়মতো নামাজ আদায় করেন না। অনেক সময় তারা বলে থাকেন, কাজা নামাজ আদায় করবেন। অলসতা করে যারা সময়মতো নামাজ আদায় করেন না, তাদের নামাজ কবুল হবে না। অলসতা করে নামাজ আদায় না করার শাস্তি ওই ব্যক্তিকে পরকালে ভোগ করতেই হবে। এ ব্যাপারে পবিত্র কুরআন মজিদেও সূরা মাউনের ৪-৫ এ ইরশাদ হয়েছে, ‘অতঃপর দুর্ভোগ ওই সব মুসল্লির জন্য, যারা তাদের নামাজ সম্পর্কে উদাসীন।’

এ আয়াতের ব্যাখ্যায় প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও তাফসিরবিদরা উল্লেখ করেন, ‘যারা নামাজ থেকে উদাসীন ও খেল-তামাশায় ব্যস্ত থাকেন, রুকু-সিজদা, ওঠা-বসা যথাযথভাবে করেন না; তাদের নামাজ আদায় হবে না। যারা নামাজের কেরাত, দোয়া ও তাসবিহ যথাযথভাবে পাঠ করেন না। এ ছাড়া কোনো কিছুর অর্থ বোঝেনই না বা বোঝার চেষ্টাও করেন না, মসজিদে আজান হওয়ার পরও যারা অলসতায় সময়মতো নামাজ আদায় করেন না এবং নামাজে দাঁড়িয়ে নামাজ নিয়ে অমনোযুগী থাকেন তাদের জন্য কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে।

২. আমাদের সমাজে কিছু মানুষ আছেন যারা মানুষকে দেখানোর জন্য নামাজ পড়েন। এ ব্যাপারে পবিত্র কুরআনে উল্লেখ রয়েছে- ‘নিশ্চয়ই মুনাফিকরা আল্লাহকে ধোঁকা দেয়। যখন ওরা নামাজে দাঁড়ায়, তখন অলসভাবে দাঁড়ায় লোকদেখানোর উদ্দেশ্যে। আর তারা আল্লাহকে অল্পই স্মরণ করে’ (সূরা নিসা, আয়াত-১৪২)। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন, ‘আমি অংশীবাদিতা (শিরক) থেকে সব অংশীদারের তুলনায় বেশি মুখাপেক্ষীহীন। যে ব্যক্তি কোনো আমল করে এবং তাতে অন্যকে আমার সাথে শরিক করে, আমি তাকে ও তার আমলকে বর্জন করি’ (মুসলিম, হাদিস নম্বর-২৯৮৫)।

৩. যারা একেবারে দায়সারাভাবে নামাজ আদায় করেন অথবা নামাজের প্রয়োজনীয় বিধি-বিধানগুলো যথাযথভাবে পালন করেন না, তাদের নামাজ আদায় হবে না। এ ব্যাপারে আবু হুরায়রা রা: বলেন, ‘একদিন রাসূল সা: মসজিদে প্রবেশ করেন। তখন জনৈক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করে দায়সারাভাবে নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষ করে তিনি রাসূলুল্লাহ সা:কে সালাম দিলো। রাসূলুল্লাহ সা: সালামের জবাব দিয়ে বলেন, ‘তুমি যাও এবং পুনরায় নামাজ আদায় করো। কেননা, তুমি যথাযথভাবে নামাজ আদায় করোনি।’ এভাবে রাসূলুল্লাহ সা:-এর কথায় ওই লোকটি পরপর তিনবার নামাজ আদায় করলেন। রাসূল সা: লোকটিকে তিনবারই ফিরিয়ে দিলেন।

তখন লোকটি বলল, হে আল্লাহর রাসূল, এর চেয়ে সুন্দরভাবে আমি নামাজ আদায় করতে জানি না। অতএব আমাকে নামাজ শিখিয়ে দিন! লোকটির মুখে এ কথা শুনার পর রাসূল সা: বলেন, ‘যখন তুমি নামাজে দাঁড়াবে তখন তাকবির দেবে। তারপর পবিত্র কুরআন থেকে যা পাঠ করা তোমার কাছে সহজ মনে হয়, তা পাঠ করবে।

তারপর ধীরস্থিরভাবে রুকু করবে। অতঃপর সোজা হয়ে দাঁড়াবে। তারপর ধীরস্থিরভাবে সিজদা করবে। অতঃপর মাথা উঠিয়ে সোজা হয়ে বসবে’ (বুখারি, হাদিস-৭৫৭)। এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সা: ইরশাদ করেছেন, ‘মানুষের মধ্যে সেই ব্যক্তি সর্বাপেক্ষা বড় চোর যে ব্যক্তি তার নামাজ চুরি করে।’ সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল সে কিভাবে নামাজ চুরি করে?’ সাহাবিদের এ প্রশ্নের জবাবে রাসূলুল্লাহ সা: বলেন, ‘সে নামাজে রুকু ও সিজদা পূর্ণ করে না’ (মুসনাদে আহামাদ, হাদিস-২২৬৯৫)।

আসুন আমরা সবাই পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর নির্দেশিত পন্থায় নামাজ আদায় করি।

লেখক : প্রবন্ধকার


 

ko cuce /div>

দৈনিক নয়াদিগন্তের মাসিক প্রকাশনা

সম্পাদক: আলমগীর মহিউদ্দিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: সালাহউদ্দিন বাবর
বার্তা সম্পাদক: মাসুমুর রহমান খলিলী


Email: [email protected]

যোগাযোগ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।  ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Follow Us